হাওজা নিউজ এজেন্সি: মঙ্গলবার কাতারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা-বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ সাউদ বিন আবদুর রহমান বিন হাসান বিন আলী আল থানির সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
জেনারেল ইবনে রেজা অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র একাধিক ক্ষেত্রে চুক্তি ও প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে।
তিনি বলেন, “গত ছয় থেকে সাত দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিরোধের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পুনরাবৃত্ত শত্রুতামূলক আচরণ।”
সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের ঘটনাগুলো ইরান ভুলবে না। তার দাবি, এসব ঘটনায় দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব, সামরিক কর্মকর্তা এবং বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি ঘটেছে, যার মধ্যে শিশু শিক্ষার্থীরাও ছিল। তিনি বলেন, এসব ঘটনা ইতিহাসে একটি অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।
মুসলিম ও প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি, বিশেষ করে কাতারের প্রতি ইরানের আস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা আমাদের বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর ওপর আস্থা রাখি, তবে শত্রুর ওপর নয়। আমাদের আঙুল ট্রিগারে রয়েছে এবং যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘিত হলে আমরা প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করব না।”
আলোচনায় ইরান ও কাতার উভয় পক্ষই দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে।
আপনার কমেন্ট